Skip to content

হাইড্রোসিলেক্টোমি (একশিরা বা হাইড্রোসিলের অপারেশন)

হাইড্রোসিলেক্টোমি (একশিরা বা হাইড্রোসিলের অপারেশন)
Rate this post

হাইড্রোসিল বা অণ্ডকোষে পানি জমার সমস্যায় ভুগছেন? ‘একশিরা অপারেশন’ নামে পরিচিত এই চিকিৎসা পদ্ধতি আসলে কী, কাদের জন্য এটি প্রযোজ্য, এবং ‘একশিরা’ বলতে আসলে কী বোঝানো হয়—এসব নিয়েই এই নিবন্ধ। অনেকেই ‘একশিরা’ শব্দটি শুনে ভ্যারিকোসিল (অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়া) অপারেশন মনে করেন, কিন্তু হাইড্রোসিলেক্টোমি শুধুমাত্র হাইড্রোসিলের জন্য। তাই শুরুতে সঠিক ধারণা নেওয়া জরুরি, তারপর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Table of Contents

হাইড্রোসিল ও ভ্যারিকোসিল: ‘একশিরা’ শব্দটি আসলে কী বোঝায়?

বাংলাদেশে ‘একশিরা’ শব্দটি প্রচলিত হলেও এটি কোনো প্রমিত চিকিৎসা পরিভাষা নয়। সাধারণত এটি ভ্যারিকোসিল (varicocele) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে অণ্ডকোষের শিরাগুলো ফুলে যায়। অন্যদিকে হাইড্রোসিল (hydrocele) হলো অণ্ডকোষের চারপাশের থলিতে পানি জমা হওয়া। দুটি রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিচের টেবিলে মূল পার্থক্যগুলো দেখুন:

বিষয় হাইড্রোসিল ভ্যারিকোসিল
সংজ্ঞা অণ্ডকোষের চারপাশের থলিতে (টিউনিকা ভ্যাজাইনালিস) পানি জমা অণ্ডকোষের শিরাগুলো (স্পার্মাটিক কর্ডের শিরা) অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া
কারণ আঘাত, সংক্রমণ, বা অজানা কারণে পানি জমা; নবজাতকদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক শিরার ভাল্বের ত্রুটি; বয়ঃসন্ধি বা প্রাপ্তবয়স্কে বেশি দেখা যায়
লক্ষণ অণ্ডকোষ ফোলা, ভারী লাগা, সাধারণত ব্যথাহীন; বড় হলে অস্বস্তি অণ্ডকোষে ‘কেঁচোর মতো’ শিরা অনুভব, টানা ব্যথা, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালে বাড়ে
চিকিৎসা ছোট হলে পর্যবেক্ষণ; বড় বা ব্যথাদায়ক হলে হাইড্রোসিলেক্টোমি ভ্যারিকোসিলেক্টোমি (শিরা বন্ধ করা) বা এম্বোলাইজেশন

সুতরাং ‘একশিরা অপারেশন’ বলে কিছু নেই; এটি একটি ভুল ধারণা। আপনার সমস্যা আসলে হাইড্রোসিল নাকি ভ্যারিকোসিল—তা নিশ্চিত করতে আলট্রাসাউন্ড করানো এবং একজন ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

হাইড্রোসিলেক্টোমি কাদের প্রয়োজন? (অপারেশনের ইঙ্গিত)

সব হাইড্রোসিলের অপারেশন করতে হয় না। ছোট (৩-৪ সেন্টিমিটারের কম) এবং উপসর্গহীন হাইড্রোসিল সাধারণত শুধু পর্যবেক্ষণ করা হয়, কারণ এটি নিজে থেকে সেরে যেতে পারে বা কোনো সমস্যা তৈরি করে না। তবে নিচের ক্ষেত্রে হাইড্রোসিলেক্টোমি বিবেচনা করা হয়:

  • হাইড্রোসিল বড় হয়ে অণ্ডকোষ ফুলে গেলে বা ভারী লাগলে
  • ব্যথা বা অস্বস্তি থাকলে
  • সংক্রমণের কারণে হাইড্রোসিল হলে (পায়োজিল)
  • আঘাতের পর হাইড্রোসিল তৈরি হলে
  • শিশুদের ক্ষেত্রে ১ বছরের পরও হাইড্রোসিল না কমলে (ইনগুইনাল হাইড্রোসিল)
  • অণ্ডকোষের অন্য কোনো রোগ (যেমন টিউমার) বাদ দিতে আলট্রাসাউন্ডে সন্দেহ থাকলে

অপারেশনের আগে ইউরোলজিস্ট আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে নিশ্চিত হন যে এটি হাইড্রোসিল এবং অন্য কোনো সমস্যা নেই। নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

হাইড্রোসিলেক্টোমি অপারেশন: কীভাবে করা হয়?

হাইড্রোসিলেক্টোমি সাধারণত স্থানীয় অ্যানেস্থেশিয়া (জাগ্রত অবস্থায়) বা স্পাইনাল অ্যানেস্থেশিয়ায় (কোমর থেকে নিচে অবশ) করা হয়। অপারেশনের সময় ৩০-৬০ মিনিট। ধাপগুলো:

  1. প্রস্তুতি: রোগীকে উপবাস রাখতে হয় (অ্যানেস্থেশিয়ার জন্য)। প্রয়োজনীয় রক্তপরীক্ষা ও আলট্রাসাউন্ড আগেই করা থাকে।
  2. চিরা: অণ্ডকোষের ত্বকে ছোট চিরা (১-২ ইঞ্চি) দেওয়া হয়। কখনো কখনো কুঁচকির কাছেও চিরা দেওয়া হতে পারে।
  3. তরল নিষ্কাশন: হাইড্রোসিলের থলি থেকে পানি বের করে দেওয়া হয়।
  4. থলি অপসারণ বা ভাঁজ করা: পানি জমার থলিটি (টিউনিকা ভ্যাজাইনালিস) পুরোপুরি কেটে ফেলা হয় (এক্সিশন) অথবা ভাঁজ করে সেলাই করা হয় (ইভারশন) যাতে পুনরায় পানি জমতে না পারে।
  5. বন্ধ: চিরাটি সেলাই দিয়ে বন্ধ করে ড্রেসিং দেওয়া হয়।

অপারেশন শেষে রোগী সাধারণত একই দিন বা পরের দিন বাড়ি যেতে পারেন। তবে ব্যথা ও ফোলা কমাতে কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

অপারেশনের পর: পুনরুদ্ধার, যত্ন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি

অপারেশনের পর প্রথম কয়েকদিন অণ্ডকোষ ফোলা ও ব্যথা থাকা স্বাভাবিক। ব্যথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধ দেওয়া হয়। পুনরুদ্ধারের জন্য কিছু টিপস:

  • প্রথম ২৪-৪৮ ঘণ্টা বরফের প্যাক ব্যবহার করুন (কাপড়ে মুড়িয়ে) ফোলা কমাতে।
  • অণ্ডকোষের জন্য সাপোর্টিভ আন্ডারওয়্যার (জকস্ট্র্যাপ) পরুন।
  • ভারী কিছু তোলা, দৌড়ানো বা সাইকেল চালানো ২-৪ সপ্তাহ এড়িয়ে চলুন।
  • সাধারণ কাজে ফিরতে ১-২ সপ্তাহ, সম্পূর্ণ সেরে উঠতে ৪-৬ সপ্তাহ লাগতে পারে।
  • চিরার স্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন; গোসলের সময় ড্রেসিং ঢেকে রাখুন।

সম্ভাব্য ঝুঁকি: যেকোনো অস্ত্রোপচারের মতোই সংক্রমণ, রক্তপাত, ক্ষতস্থানে রক্ত জমা (হেমাটোমা), এবং পুনরায় হাইড্রোসিল হওয়ার (রিকারেন্স) সম্ভাবনা থাকে। বিরল ক্ষেত্রে অণ্ডকোষের স্থায়ী ক্ষতি বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা হতে পারে। নিচের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান:

  • জ্বর বা ঠান্ডা লাগা
  • ক্ষতস্থান থেকে পুঁজ বা রক্ত পড়া
  • অসহ্য ব্যথা বা ফোলা বেড়ে যাওয়া
  • প্রস্রাব করতে সমস্যা

বাংলাদেশে হাইড্রোসিলেক্টোমির খরচ কেমন?

বাংলাদেশে হাইড্রোসিলেক্টোমির খরচ হাসপাতালের ধরন, সার্জনের ফি, অ্যানেস্থেশিয়া ও অন্যান্য সুবিধার ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। নিচে একটি আনুমানিক খরচের তালিকা দেওয়া হলো (স্থান ও সময়ভেদে পরিবর্তন সাপেক্ষ):

খরচের খাত আনুমানিক বিডিটি রেঞ্জ মন্তব্য
সার্জন ফি ৫,০০০-১৫,০০০ অভিজ্ঞতা ও খ্যাতির ওপর নির্ভর করে
অ্যানেস্থেশিয়া ফি ৩,০০০-৮,০০০ স্থানীয় বনাম স্পাইনাল অ্যানেস্থেশিয়ায় পার্থক্য
হাসপাতালের বেড ও সেবা (২৪-৪৮ ঘণ্টা) ৫,০০০-১৫,০০০ কেবিন বনাম জেনারেল ওয়ার্ডের ভিত্তিতে
অপারেশন থিয়েটার চার্জ ৩,০০০-১০,০০০ হাসপাতালের মান অনুযায়ী
ওষুধ ও ড্রেসিং ১,০০০-৩,০০০ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ব্যান্ডেজ
প্রি-অপ পরীক্ষা (রক্ত, আলট্রাসাউন্ড) ২,০০০-৫,০০০ আগেই করা থাকলে বাদ পড়ে
মোট (বেসরকারি হাসপাতাল) ২০,০০০-৫০,০০০ জটিলতা না থাকলে এই সীমার মধ্যে

সরকারি হাসপাতালে (যেমন ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সিএমএইচ) খরচ অনেক কম—শুধু রেজিস্ট্রেশন ও ওষুধ বাবদ ১,০০০-৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে অপেক্ষার সময় ও সেবার মান বিবেচনা করতে হবে। মনে রাখবেন, জটিলতা দেখা দিলে বা ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে খরচ বাড়তে পারে। চূড়ান্ত খরচ জানতে সরাসরি হাসপাতালের সাথে যোগাযোগ করুন।

বিভাগ অনুযায়ী জেনারেল সার্জন বা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন খুঁজুন

হাইড্রোসিলেক্টোমি সাধারণত জেনারেল সার্জন বা ইউরোলজিস্ট করে থাকেন। নিচের টেবিলে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগে জেনারেল সার্জন ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন খুঁজে পেতে সাহায্যকারী লিংক দেওয়া হলো:

বিভাগ ডাক্তার খুঁজুন
ঢাকা ঢাকায় ভেরিফাইড জেনারেল সার্জন ডাক্তার
ঢাকা ঢাকায় ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডাক্তার খুঁজুন
চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে টপ জেনারেল সার্জন ডাক্তার
চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে ভেরিফাইড ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডাক্তার
খুলনা খুলনায় সেরা জেনারেল সার্জন ডাক্তার
খুলনা খুলনায় ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডাক্তার
রাজশাহী রাজশাহীতে ভেরিফাইড জেনারেল সার্জন ডাক্তার
রাজশাহী রাজশাহীতে জনপ্রিয় ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডাক্তার
রংপুর রংপুরে জেনারেল সার্জন বিশেষজ্ঞ
রংপুর রংপুরে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন বিশেষজ্ঞ
সিলেট সিলেটে টপ জেনারেল সার্জন ডাক্তার
সিলেট সিলেটে সেরা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডাক্তার
বরিশাল বরিশালে জেনারেল সার্জন ডাক্তার
বরিশাল বরিশালে সেরা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডাক্তার
ময়মনসিংহ ময়মনসিংহে ভেরিফাইড জেনারেল সার্জন ডাক্তার

উল্লেখ্য, ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনরা সাধারণত ল্যাপারোস্কোপিক হাইড্রোসিলেক্টোমি করতে পারেন, যা কিছু ক্ষেত্রে কম আক্রমণাত্মক। তবে আপনার জন্য কোন পদ্ধতি ও কোন সার্জন উপযুক্ত—তা ইউরোলজিস্টের পরামর্শে ঠিক করুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

হাইড্রোসিলেক্টোমি অপারেশনের পর স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে কতদিন লাগে?

অপারেশনের পর সাধারণত ২৪ ঘণ্টা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়। বাড়িতে গিয়ে ২-৩ দিন বিশ্রাম নিলেই চলাফেরা করা যায়, তবে ভারী কাজ, দৌড়ঝাঁপ বা ব্যায়াম এড়িয়ে চলতে হবে কমপক্ষে ২-৩ সপ্তাহ। ফোলাভাব ও হালকা ব্যথা স্বাভাবিক, যা ১-২ সপ্তাহে কমে আসে। তবে ব্যথা বাড়লে, জ্বর আসলে বা ক্ষত থেকে পুঁজ বের হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান।

হাইড্রোসিলেক্টোমি কি সবসময় প্রয়োজন, নাকি ওষুধে সেরে যায়?

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্মগত হাইড্রোসিল ১-২ বছরের মধ্যে নিজে নিজে সেরে যেতে পারে, তাই তখন অপারেশনের প্রয়োজন নাও হতে পারে। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্কদের হাইড্রোসিল সাধারণত নিজে সেরে ওঠে না। ওষুধে পানি শুকানো যায় না; একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা হলো অস্ত্রোপচার। তবে অপারেশনের আগে ইউরোলজিস্ট বা জেনারেল সার্জন আল্ট্রাসনোগ্রাম করে নিশ্চিত হবেন যে এটি আসলেই হাইড্রোসিল, অন্য কোনো সমস্যা নয়।

অপারেশনের পর হাইড্রোসিল আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে কি?

অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাইড্রোসিলেক্টোমি স্থায়ী সমাধান দেয়, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে (বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্কদের) পানি আবার জমতে পারে। সাধারণত এটি তখনই ঘটে যখন থলির আস্তরণ সম্পূর্ণভাবে না কাটা থাকে বা জটিলতা দেখা দেয়। নিয়মিত ফলোআপ করলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। তবে মনে রাখবেন, অপারেশনের পর ৩-৬ মাস পর্যন্ত হালকা ফোলা থাকতে পারে, যা স্বাভাবিক।

হাইড্রোসিলেক্টোমি কি ব্যথার অপারেশন? কোন ধরনের অ্যানেসথেশিয়া দেওয়া হয়?

অপারেশনটি সাধারণত স্পাইনাল অ্যানেসথেশিয়ায় (কোমরের নিচের অংশ অবশ) করা হয়, যাতে রোগী জেগে থাকে কিন্তু ব্যথা অনুভব করেন না। কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ অ্যানেসথেশিয়াও দেওয়া হতে পারে। অপারেশন চলাকালীন ব্যথা নেই, তবে অপারেশনের পর ২-৩ দিন হালকা অস্বস্তি বা ব্যথা হতে পারে, যা ব্যথানাশক ওষুধে নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিকিৎসক রোগীর শারীরিক অবস্থা দেখে সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি বেছে নেন।

হাইড্রোসিলেক্টোমির আগে কী কী পরীক্ষা করাতে হয়?

সাধারণত রক্ত পরীক্ষা (সিবিসি), প্রস্রাব পরীক্ষা এবং অণ্ডকোষের আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সমস্যাটি আসলে হাইড্রোসিল, নাকি ভ্যারিকোসিল, হার্নিয়া বা অন্য কোনো টিউমার। বয়স ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী ইসিজি বা বুকের এক্স-রে-ও লাগতে পারে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক অপারেশনের আগে রোগীকে সবকিছু বুঝিয়ে বলবেন।

তথ্যসূত্র

উপরের তথ্যসূত্রগুলো আন্তর্জাতিক জার্নাল, সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা বা স্বীকৃত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া:

Rate this post