ক্লোজড রিডাকশন (হাড় সোজা করে প্লাস্টার করা) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপক্লোজড রিডাকশন একটি অ-অস্ত্রোপচার পদ্ধতি যেখানে ত্বক না কেটে হাত দিয়ে ভাঙা হাড় সোজা করে প্লাস্টার বা স্প্লিন্ট দিয়ে স্থির রাখা হয়।এটি সাধারণত ক্লোজড ফ্র্যাকচারের (যেখানে ত্বক ফাটেনি) জন্য করা হয়, বিশেষ করে শিশু ও হালকা ফ্র্যাকচারের ক্ষেত্রে।প্রক্রিয়াটি স্থানীয় বা সাধারণ অ্যানেস্থেশিয়ার অধীনে করা হয় এবং এক্স-রে দিয়ে হাড়ের... read more
ইউআরএস / পিসিএনএল (ক্যামেরা ও লেজার দিয়ে কিডনি ও মূত্রনালীর পাথর ভাঙা) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ ইউআরএস (ইউরেটেরোস্কোপি) মানে মূত্রনালীর ভেতর দিয়ে ক্যামেরা ঢুকিয়ে লেজার দিয়ে ছোট-মাঝারি পাথর ভাঙা — সাধারণত ডে-কেয়ার বা ১ দিনের হাসপাতালে থাকতে হয়। পিসিএনএল (পারকিউটেনিয়াস নেফ্রোলিথোটমি) মানে পিঠের ছোট ছিদ্র দিয়ে সরাসরি কিডনিতে ঢুকে বড় (২ সেমি+) পাথর ভাঙা — ১-৩ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়। কোন পদ্ধতি আপনার জন্য... read more
এক্সটারনাল ফিক্সেশন (বাইরে থেকে মেটাল ফ্রেম দিয়ে ভাঙা হাড় সোজা রাখা) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপএক্সটারনাল ফিক্সেশন হলো ভাঙা হাড়ের টুকরোগুলোকে বাইরের ধাতব ফ্রেম ও পিন দিয়ে স্থির রাখার একটি অস্ত্রোপচার পদ্ধতি।সাধারণত খোলা ফ্র্যাকচার, গুরুতর নরম টিস্যু আঘাত, সংক্রমণ-ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষত এবং অস্থির পেলভিক ফ্র্যাকচারে এটি ব্যবহৃত হয়।অপারেশনটি সাধারণ বা স্পাইনাল এনেস্থেশিয়ার অধীনে করা হয়; ফ্রেমটি কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত স্থির থাকে।সুবিধার মধ্যে... read more
অ্যাপেনডেক্টোমি (অ্যাপেনডিক্স অপসারণ) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ অ্যাপেনডেক্টোমি হলো অ্যাপেনডিক্স অপসারণের অস্ত্রোপচার, যা তীব্র অ্যাপেনডিসাইটিসের একমাত্র চিকিৎসা। প্রধান লক্ষণ: ডান তলপেটে হঠাৎ তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব, জ্বর, খাবারে অরুচি। দেরি করলে অ্যাপেনডিক্স ফেটে পেরিটোনাইটিস হতে পারে – জরুরি অবস্থা। অপারেশন দুই প্রকার: ওপেন সার্জারি (বড় কাট) ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি (ছোট ছিদ্র)। ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে ব্যথা... read more
একটোপিক প্রেগন্যান্সি অপারেশন (গর্ভাশয়ের বাইরের গর্ভাবস্থার চিকিৎসা) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপএকটোপিক প্রেগন্যান্সি একটি জরুরি অবস্থা; দ্রুত চিকিৎসা না করালে টিউব ফেটে মারাত্মক রক্তক্ষরণ হতে পারে।শুরুর দিকে ধরা পড়লে সাধারণত মেথোট্রেক্সেট ইনজেকশন দিয়েই চিকিৎসা সম্ভব, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নাও হতে পারে।টিউব ফেটে যাওয়া, রক্তপাত বা হঠাৎ তীব্র ব্যথা হলে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করতে হয়।অপারেশনে টিউবটি সম্পূর্ণ অপসারণ (স্যালপিনজেক্টমি) বা শুধু ভ্রূণ... read more
অ্যাম্পুটেশন (পচে যাওয়া বা মারাত্মক জখম হওয়া হাত/পা কেটে ফেলা) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপঅ্যাম্পুটেশন হলো পচে যাওয়া বা অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হাত/পা কেটে ফেলার অস্ত্রোপচার, যা জীবন বাঁচাতে জরুরি হয়ে পড়ে।ডায়াবেটিস, পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD), গুরুতর সংক্রমণ ও দুর্ঘটনা—এগুলোই প্রধান কারণ।অস্ত্রোপচারের পর কৃত্রিম অঙ্গ (প্রস্থেসিস) ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব।বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতালে খরচ তুলনামূলক কম; বেসরকারি হাসপাতালে ৫০,০০০ থেকে ৫,০০,০০০ টাকা... read more
অ্যাডেনোইডেক্টোমি (নাকের পেছনের বর্ধিত মাংস অপসারণ) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপঅ্যাডেনোইডেক্টোমি হলো নাকের পেছনে থাকা বর্ধিত অ্যাডেনয়েড টনসিল (লিম্ফ টিস্যু) অপসারণের অস্ত্রোপচার, যা সাধারণত শিশুদের করা হয়।প্রয়োজন হয় যখন বর্ধিত অ্যাডেনয়েডের কারণে নাক ডাকা, মুখ খুলে শ্বাস নেওয়া, বারবার কান ও নাকের ইনফেকশন, বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার (স্লিপ অ্যাপনিয়া) মতো সমস্যা দেখা দেয়।অস্ত্রোপচারটি জেনারেল অ্যানেসথেসিয়ার অধীনে... read more
ইনগুইনাল হার্নিয়া রিপেয়ার (কুঁচকির হার্নিয়ার অপারেশন) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপকুঁচকির হার্নিয়া (ইনগুইনাল হার্নিয়া) একটি সাধারণ সমস্যা যা অপারেশনের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে ঠিক করা যায়।অপারেশন প্রধানত দুই ধরনের: ওপেন (মেশ বসানো) ও ল্যাপারোস্কোপিক (কীহোল সার্জারি)।অপারেশনের পর ২-৬ সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা যায়, তবে ভারী কাজ এড়িয়ে চলতে হবে।ঝুঁকি কম, তবে ইনফেকশন, রক্তক্ষরণ, স্নায়ুজনিত ব্যথা বা হার্নিয়া পুনরায় হওয়ার... read more
আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি (হাঁটু বা জোড়ায় ক্যামেরা দিয়ে লিগামেন্ট মেরামত) সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপআর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি একটি ন্যূনতম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি, যেখানে ক্যামেরা ও ছোট যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে হাঁটু বা অন্যান্য জোড়ার ভেতরের লিগামেন্ট মেরামত করা হয়।এটি বিশেষ করে হাঁটুর অগ্রবর্তী ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (ACL), পশ্চাৎ ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (PCL) ও মেনিস্কাসের ছেঁড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।ওপেন সার্জারির তুলনায় ছোট ছেদ, কম ব্যথা ও দ্রুত পুনর্বাসন সম্ভব,... read more
সার্জন ডাক্তার মানে কি? সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপসার্জন ডাক্তার হলেন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যিনি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা করেন।সব সার্জনই ডাক্তার, কিন্তু সব ডাক্তার সার্জন নন – ফিজিশিয়ানরা ওষুধ ও ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা দেন।বাংলাদেশে সার্জন হতে এমবিবিএস শেষ করে এমএস (মাস্টার অব সার্জারি) বা এফসিপিএস (সার্জারি) ডিগ্রি নিতে হয়।সাধারণ সার্জন, অর্থোপেডিক, নিউরোসার্জন, কার্ডিয়াক সার্জনসহ বিভিন্ন শল্য বিশেষত্ব... read more